রাজাকার মতিউর সিকদারের নাম শুনে আজো আঁতকে উঠে নরসিংদীবাসী (২)
এডমিন, ২৩ নভেম্বর, ২০২২ ০৪:২১:০৬ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বিশেষ প্রতিবেদন
হত্যা, সম্ভ্রমহরণ ও অগ্নিসংযোগের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ: রাজাকার মতিউরের হাতে নির্মম নির্যাতন ও হত্যাকা-ের শিকারদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানিয়েছে মতিউর রহমান পাকী বাহিনীর সহায়তায় কীভাবে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করতো তাদের স্বজনদের। একাত্তরের ৬ আষাঢ় (ইংরেজি জুন মাস) তিন দিন নির্যাতনের পর নরসিংদীর ঘোড়াদিয়া গ্রামের মানুষদেরকে হত্যা করা হয়।
একাত্তরে রাজাকার মতিউরের কর্মকা- প্রসঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছে, রাজাকার মতিউর এলাকার বহু মা-বোনের ইজ্জত নিজে হরণ করেছে, তাদেরকে তুলে দিয়েছে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে। লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করেছে নরসিংদী শহরের বৌয়াকুড়, ঘোড়াদিয়ার ঘরবাড়িসহ আরো অনেক এলাকার ঘরবাড়ি ও দোকানপাটে।
এ সময় রাজাকার মতিউরকে ঘোড়াদিয়ার চিরিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রমিজউদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে কমুরউদ্দিন ভূইয়া বলেন, তুমি বাঙালি না? এগুলো কী করতাছ। তখন রাজাকার মতিউর বলেছিলো, আমি বাঙালি না।
টর্চার সেল: জানা যায়, একাত্তরে নরসিংদী বাজারের বিবিন সাহার লালদালানে ছিল (বর্তমানে শহরের বাজির মোড়ের সরকারি টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ভবন) রাজাকার মতিউর সিকদারের ঘাঁটি। সেখানেই মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতাকামী বাঙালি ও নারীদের ধরে এনে নির্মম নির্যাতন করা হতো। সেখানে পাঁচ দিন নির্মম নির্যাতনের পর ১১ ডিসেম্বর শহরের ঈদগাহ ময়দানে নিয়ে আদম আলী মাস্টারের দ্বিতীয় ছেলে মতিউর রহমানকে হত্যা করা হয়।













