মাতারবাড়ি থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে ডিসেম্বরে -বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
এডমিন, ২৮শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২৪ সামিন, ১৩৯০ শামসী সন, ২২ই জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ০৭ মাঘ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) তাজা খবর
আগামী ডিসেম্বরেই মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
গতকাল জুমুয়াবার এক ফেসবুক পোস্টে প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, প্রত্যন্ত মহেশখালীর মাতারবাড়ি জেগে উঠছে সমৃদ্ধির আলোয়। বহুল প্রত্যাশিত মাতারবাড়ি ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ৭৫ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এটি যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি মাতারবাড়িতে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ ও জ্বালানি হাব। যার অর্থনৈতিক সুফল শুধু মহেশখালীর মানুষই নয়, পাবে পুরো বাংলাদেশ। গড়ে উঠবে নতুন নতুন শিল্প কারখানা, তৈরি হবে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান।
জুনে চালু হবে এসপিএম, সাশ্রয় ৮০০ কোটি টাকা:
দেশের জ্বালানি তেল পরিবহনে নেওয়া মেগাপ্রকল্প সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
এটি চালু হলে বছরে ৮০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
নসরুল হামিদ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, দেশের জ্বালানি তেল পরিবহনে যুগান্তকারী মেগাপ্রকল্প সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। বছরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম।
এতদিন আমদানি করা জ্বালানি তেল বড় জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারি ট্যাংকে পৌঁছাতে সময় লাগত লাগত ১১-১২ দিন। এসপিএম চালু হলে সময় লাগবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। এতে বছরে দেশের ৮০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে নির্মাণ করা হয়েছে ৬টি বিশালাকার স্টোরেজ ট্যাঙ্ক। যা বাংলাদেশের তেল মজুদ সক্ষমতাকে নিয়ে যাবে নতুন উচ্চতায়।













