ঐতিহাসিক রোয়াইলবাড়ি দুর্গ
এডমিন, ২৬শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২২ সামিন, ১৩৯০ শামসী সন, ২০ই জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ০৫ মাঘ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) স্থাপত্য নিদর্শন
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায় যে, এ মসজিদের ১৫টি গম্বুজ ছিল। এছাড়া মসজিদের কাঠামোতে ছিল ১২টি দরজা, পাঁচটি খুতবা পাঠের মেহরাব (মিম্বর) এবং মার্বেল পাথরের তৈরি বিশাল কয়েকটি খিলান। মসজিদের দেয়ালগুলোতে সূর্যমুখী ফুলের নকশা আঁকা ছিল। দুর্গের দক্ষিণ দিকের খোলা ময়দানটিকে সৈন্যবাহিনীর প্যারেড গ্রাউন্ড হিসেবে মনে করা হয়। এছাড়াও দুর্গের বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকটি ভবন বা ইমারতের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। মসজিদের ৩০ মিটার উত্তরে একটি প্রাচীন কবরস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এলাকাবাসী এটিকে ‘নিয়ামত বিবির মাজার’ ও ‘ডেঙ্গুমিয়ার কবর’ নামে চেনেন। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর ভ্রমণপিপাসু দুর্গটি দেখতে আসেন। শীত মৌসুমে লোকসমাগম বেশি হয়।













