গণপরিবহনে শ্লীলতাহানির শিকার ৩৬ শতাংশ নারী
এডমিন, ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৮ সাবি’, ১৩৯০ শামসী সন, ০৭ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রি:, ২২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দেশের খবর
বাস, লঞ্চ, ট্রেন ও টার্মিনালসহ গণপরিবহনে ৩৬ শতাংশ নারী নিয়মিত শ্লীলতাহানির শিকার হন। এছাড়াও গণপরিসরে ৮৭ শতাংশ নারী জীবনে অন্তত একবার যৌন সহিংসতার শিকার হন। আর ৬৬ শতাংশ নারী কয়েকবার এবং ৭ শতাংশ নারী বারবার নানা ধরনের যৌন হয়রানির শিকার হন। তবে হয়রানির শিকার ৩৬ শতাংশ নারী প্রতিবাদ করেছেন বলে অনলাইনে পরিচালিত জরিপে উঠে এসেছে। ইউএনডিপি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সেন্টার ফর ইনফরমেশন-এর যৌথ উদ্যোগে এ জরিপ করা হয়।
গত সোমবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গণপরিসরে ও গণপরিবহনে বিভিন্ন সময়ে নারীর প্রতি সংঘটিত ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনা উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে নারী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার বিচারহীনতাই নারীকে আরও বেশি অনিরাপদ অবস্থানে নিয়ে গেছে। যার ফলশ্রুতিতে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার মামলায় মাত্র ৩ শতাংশ অভিযুক্ত ব্যক্তি শাস্তি পায়। বাকিরা নানাভাবে পার পেয়ে যান।
এতে বলা হয়, টেকসই উন্নয়নের অগ্রগতি নির্ধারণে যে ৩৯টি নির্দেশক তৈরি করা হয়েছে তার মধ্যে ১১টি গণপরিবহনে ২০টি আসনে নারী-শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। যা ২০৩০ সালের মধ্যে নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সুপারিশ তুলে ধরা হয়।













