নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উনার
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ ছল্লাল্লাহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম উনারা সৃষ্টির শুরু থেকেই একই সাথে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ থাকবেন (২)
এডমিন, ২৬শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২২ সামিন, ১৩৯০ শামসী সন, ২০ই জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ০৫ মাঘ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) বরকতময় জিবনী মুবারক
ঐ বাড়িটা, অনেক বড় বাড়ি! এরিয়া, অনেক বড় এরিয়া! এখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যাঁরা আছেন উনারা আছেন, উনাদের সাথে আমরাও আছি। বিষয়টা তো এরকম না যে, নতুন আছি। আবার যে সরে যেতে হবে এরকমও না। মনে হয়, ছিলাম, আছি, থাকবো।
এখন আমাদের অনেক লোক, প্রায় সব লোকই যারা আছে অনেককে দেখা গেছে। নাম বলবো না, কারো কথা আমি বলবো না। অনেক লোক আছে। আক্বীদাহ্ শুদ্ধ থাকলে তো কোনো সমস্যা নেই। আক্বীদাহ শুদ্ধ থাকলে তো ঠিকই আছে। আর আক্বীদায় গ-গোল থাকলে তো সে আর নাজাত লাভ করতে পারবে না।
তখন আমি দেখলাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি এতো সন্তুষ্ট, খুশি। সুবহানাল্লাহ! ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না। কারণ, ভাষা দিয়ে সব বিষয় কখনো প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। উনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট, খুশি। অনেক মুহব্বত করলেন। সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে আমরা এদিকে যাই। উনার সাথে আমি বের হলাম। আমি বললাম, তাহলে একটা আসন দরকার। দেখলাম, একটা কুদরতী আসন যাহির হয়ে গেলো। তখন আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাশরীফ মুবারক নেন। উনি তাশরীফ মুবারক রাখলেন। এক জাগায়, দুই জাগায়। আমি বললাম যে, লোকজন যিয়ারত করে, অতঃপর ক্বদম বুছি করুক। উনি খুব খুশি হলেন। সবটা বলি না বা বলতে পারি না। কারণ ভাষাগত আদবের ত্রুটি হয় কি না সেজন্য। পরে যখন আবার সামনে আসলাম, তখন বললাম, তাহলে তারা যিয়ারত করুক। (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি বললেন,) করুক। উনি খুব খুশি। আমি বললাম, তাহলে ঠিক আছে, যিয়ারত করে এরা এদিক দিয়ে চলে যাক। তখন আমি বললাম, এদিকে গেলেই অর্থাৎ সামনে ডান দিকে গেলেই সবাই জান্নাতে যাবে। উনি অত্যন্ত সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন। অনেক মুহব্বতে উনি বললেন। এটাতো ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না। এখন শেষে আমি যখন কিছু বলতে চাইলাম, তখন তিনি বললেন, ‘প্রয়োজন নাই তুমি তো আমার বেটা।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সে অবস্থাটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। ভাষা দিয়া প্রকাশ করাটা আদবের খেলাফের মতো মনে হয়। আর সন্তুষ্টি মুবারক যে এতো বেশি এটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আর যে আসছে, তাকেই যতক্ষণ ইচ্ছা বুছা দেওয়ার জন্য উনি ইখতিয়ার দিয়েছেন এবং খুব সন্তুষ্টি মুবারকের সাথে গ্রহণ করছেন।”
তাহলে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ছহীহ সমঝ, বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ ও সর্বোচ্চ হুসনে যন মুবারক দান করুন। আমীন!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।













