| ০ দিন |
০ ঘন্টা |
০ মিনিট |
০ সেকেন্ড |
| মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ১৪৪৪ হিজরীর তারিখ ৯ই অক্টোবর, ২০২২ | |||
আজকের নামাজের সময়সূচী
| ওয়াক্ত | শুরু | শেষ | ওয়াক্ত | শুরু | শেষ |
| সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ (সুবহে ছাদিক্ব শরীফ) | ইশা | ০৬:৫৫ | ০৫:২০ | ||
| ০৫:২৫ | |||||
| ফজর | ০৫:২৫ | ০৬:৪১ | তাহাজ্জুদ | ১১:৩০ | ০৫:২০ |
| ইশরাক | ০৭:০৫ | ০৮:১৫ | আগামীকাল ফজর | ০৫:২৫ | ০৬:৪১ |
| চাশত্ | ০৮:১৬ | ১১:০৮ | আগামীকাল সূর্যোদয় | ০৬:৪২ | |
| জাওয়াল | ১২:১০ | যোহর পড়ার পূর্ব পর্যন্ত | আজ সূর্যোদয় | ০৬:৪২ | |
| যোহর | ১২:১০ | ০৩:৫৯ | আজ সূর্যাস্ত | ০৫:৩৬ | |
| আছর | ০৪:০০ | ০৫:১৭ | আজ সাহরীর সতর্কতামূলক শেষ সময়ঃ ০৫:২০ | ||
| মাগরিব | ০৫:৪১ | ০৬:৫৪ | ইফতার | ০৫:৪১ | |
| আওয়াবীন | ০৬:০০ | ০৬:৫৪ |
|
||
রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মক্ববুল দেয়া ও বেমেছাল রোবের উসীলায়-
মুসলমানদের উপর যুলুম-নির্যাতন করার ফলস্বরূপ:
যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অর্থনৈতিক মন্দা, খাদ্য মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত:
খবরের বিভাগসমূহ
- প্রথম পাতা
- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
- দেশের খবর
- বিদেশের খবর
- পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
- সুন্নত মুবারক তা’লীম
- মহিলাদের পাতা
- সম্পাদকীয়
- ইতিহাস
- স্থাপত্য নিদর্শন
- অর্থনীতি
- আজকের পত্রিকা
- » প্রথম পাতা
- » খবর
- » মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
- » সুন্নত মুবারক তা’লীম
- » মহিলাদের পাতা
- » সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
- » ইতিহাস
- » স্থাপত্য নিদর্শন
- » স্বাস্থ্য
- » বিজ্ঞান মুসলমান উনাদেরই অবদান
- » আইন
- » জিহাদ
- » পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
- » সম্পাদকীয়
- » মন্তব্য কলাম
- » আপনাদের মতামত
- » বিদেশের সংবাদ
- » পাঁচমিশালী
- » বিশেষ খবর
- » শেষের পাতা
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আগামীকাল দিবাগত সন্ধায় পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে। যদি চাঁদ দেখা যায় তবে আগামীকাল দিবাগত রাতটিই হবে পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উ বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের ঘরে নামায পড়ার উৎসাহ ও ফযীলত:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো উল্লেখ রয়েছে-
عَنْ حضرت أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، أَنَّهُ رَأَى ابْنَ مَسْعُودٍ يُخْرِجُ النِّسَاءَ مِنَ الْمَسْجِدِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَيَقُولُ:"اخْرُجْنَ إِلَى بُيُوتِكُنَّ خَيْرٌ لَكُنَّ". (رواه طبرنى)
অর্থ: হযরত আবু উমর শায়বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দেখেছেন যে, তিনি জুমুয়ার দিন মহিলাদেরকে মসজিদ হতে একথা বলে বের করে দিতেন যে, “হে মহিলারা! তোমারা তোমাদের ঘরে চলে যাও।
কারণ নামাযের জন্য তোমাদের ঘরই উত্তম। (তবারানী শ বাকি অংশ পড়ুন...
“হিজাব বা পর্দা” সম্পর্কিত পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ৩১ নং আয়াতাংশের তাফসীর বা ব্যাখ্যা:
وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ
“আল্লাহ তায়ালা বলেন, (তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে যাতে তাদের চুপানো সৌন্দর্য প্রকাশ হয়ে পড়ে)। জাহিলিয়াত যুগে মহিলারা যখন রাস্তায় চলতো, তখন যমীনের উপর সজোরে পা ফেলতো যাতে পায়ের নুপুর বেজে উঠে। আর পুরুষেরা তা শুনতে পেতো। মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মহিলাগণকে তাদের অনুরূপ করতে নিষেধ করেন। অনুরূপভাবে যে সৌন্দর্য লুকানো তা তারা প্রকাশ করার জন্য সজোরে চলতো এ বিষয়টি আয়াত শরীফে নিষেধ কর বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নির্দেশনা মুবারকে হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং ইলমের প্রচার প্রসারে যেভাবে অবদান মুবারক রেখেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছেন তা ইতিহাসে বিরল। উনাদের পরবর্তী যত মুসলিম সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার প্রায় সকল মুসলিম শাসকই জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রচার-প্রসারে ব্যাপক অগ্রগামী ছিলেন। উনাদের মধ্যে অন্যতম হলেন, উমাইয়া সালতানাতের এবং ইসলামী ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ শাসক হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাকি অংশ পড়ুন...
ঘ) যাকাত আদায় না করে মূল মালের সাথে মিশ্রিত করলে মাল-সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায়:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمـُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةَ عَلَيْهَا السَّلَامَ قَالَتْ سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ مَا خَالَطَتِ الزَّكٰوةُ مَالًا قَطُّ اِلَّا اَهْلَكَتْهُ رَوَاهُ الشَّافِعِىُّ وَالْبُخَارِىُّ فِىْ تَارِيْـخِهٖ وَالْـحُمَيْدِىُّ وَزَادَ قَالَ يَكُوْنُ قَدْ وَجَبَ عَلَيْكَ صَدَقَةً فَلَا تُـخْرِجُهَا فَيُهْلِكُ الْـحَرَامُ الْـحَلَالَ.
অর্থ: “হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে তায়াল্লুক-নিছবত মুবারক:মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে যার যত গভীর তায়াল্লুক-নিছবত বা সম্পর্ক মুবারক তিনি তত বেশি মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী ও সম্মানের অধিকারী। ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন সাইয়্যিদুনা ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে ছিলেন উনার গভীর ও বেমেছাল তায়াল্লুক-নিছবত মুবারক।
তাযকিরাতুল আউলিয়া ১/২০৯ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, একদিন মুজাদ্দিদে মি বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
অর্থ: “আর (আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিকির মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলাম নাশ্রহ্ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবি বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব: সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো, কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার কাছে বাইয়াত হওয়া ফরয। এটাই হচ্ছে দলীলসম্মত এবং হাক্বীক্বী ফতওয়া। কেননা ইখলাছ অর্জন করা হচ্ছে ফরয। আর ইখলাছ হাছিল হয়ে থাকে কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার ছোহবত মুবারক উনার নূর এবং উনার দেয়া সবক্ব ক্বলবী যিকির করার দ্বারা। আর এসকল প্রতিটি বিষয়ই ফরয উনার অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ফরয। উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করা ফরয। উনার থেকে ফায়িয-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করা ফরয। ক্বলবী যিকির-আযকার করা ফরয। উক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হারাম থেকে হারামেরই সৃষ্টি হয়।”
এ চিরন্তন সত্য কথার আলোকে হারাম খেলাধুলা থেকে নিম্নলিখিত হারামগুলো পয়দা হয়।
১. সময় নষ্ট হয়।
২. পয়সা নষ্ট হয়।
৩. কাজ নষ্ট হয়।
৪. ফরয নামায কাযা হয়। তরকও হয়।
৫. ছতর খোলা হয়।
৬. ফাসেক-ফুজ্জার, বে-দ্বীন-বদদ্বীনদের সাথে থাকা হয়।
৭. বিধর্মীদের নিয়মাবলী গ্রহণ করা হয়।
৮. নানান দুর্ঘটনায় স্বাস্থের ক্ষতি হয়।
৯. প্রতিযোগিতার নামে হারামে মশগুল করা হয়।
১০. নানা ধরণের জুয়া-জুয়া ধরা হয়।
১১. পরস্পরের প্রতি প্রতিহিংসা বিদ্বেষ পয়দা হয়।
১২. সমাজে ফিতনার সৃষ্টি হয়।
১ বাকি অংশ পড়ুন...
উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে দিবালোকের ন্যায় অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার কতো বেমেছাল ফযীলত মুবারক! যেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা-কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!
এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
كَانَ فِىْ بَنِـىْ اِسْرَائِيْلَ رَجُلٌ عَصَى اللهَ مِائَتَـىْ سَنَةٍ ثُـمَّ مَاتَ فَاَخَذُوْا بِرِجْلِهٖ فَاَلْقَوْهُ عَلـٰى مَزْبَلَةٍ فَاَوْحَى اللهُ اِلـٰى حَضْرَتْ مُوْسٰى عَلَيْهِ السَّلَامُ اَن বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায ভঙ্গের কারণসমূহ
১. নামায উনার মধ্যে স্বেচ্ছায় বা ভুলবশতঃ কিংবা নিদ্রাবস্থায় কোনো কথা বললে।
২. ইচ্ছাপূর্বক সালাম দিলে (ভুলে নয়)।
৩. স্বেচ্ছায় বা ভুলে সালামের জবাব দিলে।
৪. বিনা ওজরে গলা খাকারি দিলে। তবে আওয়াজকে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অথবা ইমামের ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে বা সে নিজে নামায উনার মধ্যে আছে, তা অবগত করানোর উদ্দেশ্যে গলা খাকরালে নামায ফাসিদ হবে না।
৫. নামায উনার মধ্যে যেকোনো কারণে (পীড়িত ব্যক্তির অসহ্যের কারণ ব্যতীত) আহ! উহ! ইস! ইত্যাদি বললে অথবা উচ্চস্বরে কাঁদলে নামায ভঙ্গ হবে। অবশ্য জান্নাত, জাহান্নামের বাকি অংশ পড়ুন...













