এফ-১৬ যুদ্ধবিমান চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ তুরস্কের
এডমিন, ২৬শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২২ সামিন, ১৩৯০ শামসী সন, ২০ই জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ০৫ মাঘ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) বিদেশের খবর
ওয়াশিংটনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি উঠে এসেছে ইউক্রেন যুদ্ধ, রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক এবং ন্যাটোর প্রসঙ্গও।
সেখানেই তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্রুত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে যুদ্ধবিমান না দিলে তার প্রভাব ন্যাটোর ওপরেও পড়তে পারে বলে প্রচ্ছন্ন হুমকিও দিয়েছেন সে।
বস্তুত, বাইডেন প্রশাসন জানিয়েছিল, তুরস্কের কাছে ৪০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রি করা হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে একাধিক বিতর্ক হয়েছে এবং হচ্ছে। একাধিক ডেমোক্র্যাট সদস্যের বক্তব্য, ন্যাটোয় তুরস্কের ভূমিকা এবং রাশিয়া প্রসঙ্গে তাদের অবস্থান সঠিক নয়। ফলে দেশটির কাছে ওই বিমান বিক্রি করা উচিত নয়। বৈঠক চলাকালীনও কংগ্রেসে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ওয়াশিংটনের বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিমান বিক্রি না করলে তার প্রভাব কেবল দুই দেশের সম্পর্কের ওপরেই পড়বে না, ন্যাটোতেও পড়বে। কার্যত হুমকির সুরেই একথা সে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনকে।
বস্তুত, তুরস্কের চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র ২০ বিলিয়ন ডলারের ফাইটার জেট বিক্রিতে কার্যত সম্মতি প্রকাশ করেছে। কিন্তু ওয়াশিংটনও পাল্টা চাপ তৈরির কৌশল নিয়েছে।
তারা বলেছে, ন্যাটোর নতুন দুই সদস্যের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তুরস্ক যে অবস্থান নিয়েছে, তা বদলাতে হবে। সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের যোগদান তুরস্ককে মেনে নিতে হবে। তাহলেই তারা এই চুক্তিতে অগ্রসর হবে।













